Saturday, September 23, 2017
Banner Top

স্যারের মুরিদরা প্রমান চাইছে, এই লন স্যার কি বলে শুনুন।জামায়াত নেতার সন্তান প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের স্যার।

Posted by Video Records on Sunday, July 30, 2017
Banner Content

2 Comments

abidreza July 31, 2017 at 8:27 am

জামায়াত নেতাদের সন্তানের আওয়ামীলীগে যোগদান প্রসংগে:
জামায়াতী নেতাদের ছেলে সন্তানরা যখন ইসলামকে মুক্তমনে চর্চা করে তখন জামায়াত এর প্রতি তাদের ঘৃণা জন্মে। ৭১ এ এসব জামায়াত নেতারা ইসলামের নামে যে কুকীর্তি করেছেন, তাদের সন্তানরা তা কোন অবস্থাতেই মেনে নিতে রাজি নন। তাই তারা তাদের পূর্ব পুরুষদের শাপমোচনের জন্য জামায়াতকে ঘৃণা করে আন্তরিকতার সহিতই আওয়ামীলীগে যোগদান করেছেন। উল্লেখ্য, জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদীর ছেলে ফারুক মওদুদীও তার বাবার বিরুদ্ধে এক সন্ত্রাস ও জংগীবাদী ইসলামের পরিচিতি দিয়ে মুসলমানদেরকে বিভ্রান্ত করার জন্য বাবার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে এবং সে বাংলাদেশ সফর করে প্রকাশ্যে তার বাবার জংগীবাদী চিন্তা চেতনায় গড়া এই জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে সকলকে সচেতন ও সোচ্চার হবার আহ্বান জানিয়েছে…তাই শুধু বাবা জামায়াতী হলেই সন্তান যে ভুল পথে পা দিবে তা সবক্ষেত্রে শুদ্ধ নয়। আমরা জানি, অনেক পাকিস্তান ও মুসলিম লীগ সমর্থনকারীর সন্তানরা ৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন, কই, তাদেরকে মুক্তি যুদ্ধ করতে বাঁধা দেয়া হয়নি? এরা ও এদের সন্তানরা আওয়ামীলীগে আজ অবদান রাখছে। তবে, সরকার নতুন আগন্তুকদের ব্যাপারে খুবই স্বোচ্চার এবং খুব কাছে থেকেই এদের পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছেন বলে শুনেছি। দেশে-বিদেশে ভূয়া মুক্তিযাদ্ধা ও স্বার্থবাদী আওয়ামীরা দলের জন্য সবচেয়ে বেশী ক্ষতিকারক, যাদেরকে সাধা: সম্পাদক জনাব ওবায়দুল কাদের ‘কাউয়া’ উপাদিতে ধিক জানিয়েছেন।
Imam Qazi Qayyoom

সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা July 31, 2017 at 12:18 pm

এই প্রবাসেও নানা বিষয়ের ভূয়া পরিচিতিতে ভরে যাচ্ছে কমিউনিটি। একাত্তরের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে অংশ না নিয়ে কেউ হয়ে যাচ্ছেন ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’, সমাজসেবা না করেও কেউ কেউ নামের আগে পদবী হিসাবে ব্যবহার করছেন ‘বিশিষ্ট সমাজসেবকে’ । আবার আরো একধাপ এগিয়ে কেউ কেউ অন্যের অধিকার ও অর্থ হরণ করে হয়ে যাচ্ছেন ‘মহান মানবাধিকারকমী’। আবার আরেকদল বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মাইক পেলে এমন এমন উপদেশ/নির্দেশ দিয়ে যাচ্ছেন আমাদের মত সাধারন প্রবাসীদের যা তিনি বা তারা পারিবারিকভাবে কখনোই পালন করেন না । আর আরেকদল কিছু ভোট বানিয়ে ও কিছু ভোট বাগিয়ে গদি দখল করছেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংষ্কৃতিক সংগঠনের। পিতামহ ও পিতার একাত্তরের কলঙ্কজনক ভূমিকাকে ঢেকে দেয়ার জন্য কেউ কেউ অঢেল ডলার খরচ করে স্বাধীনতাপন্থীদের পাশে স্থান করে নেবার ব্যর্থ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আবার কেহ কেহ অন্য কাজ করেও নিজেদের পরিচয় দিচ্ছেন সাংবাদিক হিসেবে। সব মিলিয়ে ভূয়া মুক্তিযোদ্ধা, মেকী সমাজসেবক, ভুয়া উপদেশ প্রদানকারী, পিতামহের কলঙ্কমোচন প্রচেষ্টা পালনরত তথাকথিত সাংবাদিকরা বলতে গেলে অনেকটাই একজোট হয়ে কমিউনিটিতে বিচরণ করছেন যাতে আপাত দৃষ্টিতে মনে হবে এরাই বুঝি এই কমিউনিটিতে তাদের ক্ষেত্রে ‘সর্বশ্রেষ্ঠ’। ঐ ভুয়ারাই আবার বিভিন্ন সংগঠনের জন্ম দিয়ে সেই সংগঠনের ব্যনার টানিয়ে অন্যের দৃষ্টি আকর্ষন করার প্রয়াস চালাচ্ছেন। এমন ভূয়া ও ছদ্মবেশীদের উৎপাতে তাই সমাজের প্রকৃত ও যোগ্য সেবকেরা আজ কোণঠাসা কিংবা উহেলিত। তাদের নেই অঢেল অর্থ কিংবা বৈভব, না আছে সমাজকে নিয়ন্ত্রিত করার শক্তি।

Leave a Comment

সব খবর (সব প্রকাশিত)