Wednesday, August 23, 2017
Banner Top
Banner Content

বাংলা প্রেস, নিউ ইয়র্ক : প্রসব বেদনা নিয়ে বাড়ি থেকে হাসপাতালের দিকে রওয়ানা হয়েছিলেন জেসিকা রামোস নামের এক মার্কিন নারী। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের প্রচন্ড ব্যস্ত একটি মহাসড়কে চলন্ত গাড়িতেই প্রসব বেদনায় ছটফট করতে থাকেন। হাসপাতাল পৌঁছানোর আগেই মহাসড়কেই বাচ্চার জন্ম দিলেন জেসিকার সন্তান। গত ২৭ জুলাই নিউ ইয়র্কের লং আইল্যান্ড এক্সপ্রেসওয়ে মহাসড়কে এ ঘটনাটি ঘটে। রাস্তা বন্ধ করে পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবীদের তত্ত্বাবধানে সন্তানের জন্ম দেন জেসিকা। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা বাংলা প্রেস।

জেসিকা রামোস

পুলিশ জানায়, ব্যথা ওঠায় জেসিকা রামোসকে (২৭) দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁর বোনের স্বামী। রাস্তায় জেসিকার ব্যথাটা তীব্র হয়ে ওঠে। লং আইল্যান্ড আইল্যান্ড এক্সপ্রেসওয়ের ৫৮ নম্বর বাহির পথ (এক্সিট) এর কাছে গাড়ি থামাতে বাধ্য হন চালক। পুলিশের জরুরি নম্বরে ফোন করা হয়। হাইওয়ে পেট্রল পুলিশ কর্মকর্তা জোসেফ গস সেখানে পৌঁছান। রাস্তা বন্ধ করে একটি কম্বল বিছিয়ে সেখানেই শুইয়ে দেওয়া হয় জেসিকাকে।
গস জানান, খবর দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্টোনি ব্রুক ভলান্টিয়ার অ্যাম্বুলেন্সের স্বেচ্ছাসেবীরা সেখানে পৌঁছে যান। স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে একজন ছিলেন স্টোনি ব্রুক ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইমারজেন্সি মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ইএমটি) ভলান্টিয়ার বিপ্রজিত সাহা।
স্বেচ্ছাসেবীরা জেসিকার পিঠের নিচে বোর্ড স্থাপন করে তাকে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে ওঠান। সেখানেই জন্ম হয় নবজাতকের।পরে নবজাতক ও মাকে দ্রুত স্টোনি ব্রুক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁরা দুজনই সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃকক্ষ।

1 Comment

সাঈদ, মুক্তিযোদ্ধা বিমানসেনা August 2, 2017 at 11:43 am

We welcome the baby to this earth and congratulate the mother. It happens and it is very natural. The baby cannot stay in the mother’s ohm for a single second more than the allotted time by the Creator. We should keep it in mind and if we do it, we can not engage ourselves in the worlds controversy.

Leave a Comment

সব খবর (সব প্রকাশিত)