Wednesday, August 23, 2017
Banner Top
Banner Content

পিকেএসএফ’র এমডি মো. আব্দুল করিম। ছবি-এনআরবি নিউজ।

এনআরবি নিউজ, নিউইয়র্ক থেকে : বাংলাদেশের গরিবের চেয়েও গরিবদের ভাগ্য উন্নয়নে বাস্তবতার আলোকে কাজ করছে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। বার্ষিক ৪ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে প্রায় ৫ কোটি মানুষের কল্যাণে। এরমধ্যে ভিক্ষুকও রয়েছে। এই সংস্থার কার্যক্রম প্রসারের ফলেই উত্তর বঙ্গ থেকে ‘মঙ্গা’ নামক অতি পরিচিত শব্দটির বিলুপ্তির ঘটেছে। বছরের ৬/৭ মাসই যে কৃষকের ঘরে খাবার থাকতো না, তাদের প্রায় সকলেই এখন একেকটি ‘সমৃদ্ধ বাড়ী’তে পরিণত হয়েছে। ঋণের জালে বন্দি করে খেটে খাওয়া দু:স্থ মানুষদের একই আবর্তে রাখার যে সনাতনী প্রথা কোন কোন সংস্থায় ছিল, তার চিরঅবসানেও এই ফাউন্ডেশন মন্ত্রের মত ভূমিকা রাখছে। অর্থাৎ গরিবানাকে চিরতরে নির্মূলের স্থায়ী প্রকল্পে অর্থায়ন করা হচ্ছে। ৫ কোটি মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত এই সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারির সংখ্যা মাত্র ৩০০। তবে রাজধানী ঢাকার বাইরে কর্মরত এই সংস্থার সহযোগী সংগঠনের সংখ্যা ২৭৬টি অর্থাৎ তারা সরাসরি মানুষের সাথে কাজ করছেন। ঋণ বিতরণ, উণের অর্থে পরিচালিত প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বছর শেষে সে অর্থ আদায়-সবকিছুই তারা করছে। প্রশাসনিক, সাংগঠনিক এবং অন্যসব বিষয়ের জবাবদিহিতার বিধি পুরোপুরি চালু থাকায় এই সংস্থার কাজ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন ধরনের অভিযোগ উঠেনি। এসব তথ্য জানান পিকেএসএফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল করিম। জাতিসংঘে এসডিজি’র অগ্রগতির রিপোর্ট প্রদানের বিশেষ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অন্যতম সদস্য হিসেবে নিউইয়র্কে অবস্থানকালে আব্দুল করিম ‘বাংলাদেশের চেহারা পাল্টে দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণতাপূর্ণ নেতৃত্বে যে নীরব বিপ্লব চলছে’, সে আলোকে বিস্তারিত জানান বিশেষ এক সাক্ষাতকারে।
১৯৯০ সালে পিকেএসএফ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বিভিন্ন কার্যক্রম ও প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও দরিদ্র মানুষ, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আব্দুল করিম বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির প্রাধান্য থাকলেও বর্তমানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ, পারিবারিক সম্পদ সৃষ্টির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সংগঠিত সদস্যদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি এর কার্যক্রম ঢেলে সাজিয়েছে। ‘দারিদ্রের তীব্রতা ও গভীরতার তারতম্যের আলোকে কর্মসূচি প্রনযন ও বাস্তবায়নের বিষয়টি পিএসএফ-এর আর্থিক ও অন্যান্য সেবা কার্যক্রমে ব্যাপকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। গ্রামীণ, নগর, চর, উপকূলীয় অঞ্চল, খরা ও বন্যা প্রবণ এলাকা, হাওর এলাকা ও মৌসুমী দারিদ্রপ্রবণ নাজুক অঞ্চলগুলোর দিকে বিশেষ দৃষ্টি দেয়া হচ্ছে’-উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এই মুখ্যসচিব। তিনি বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বরের তথ্য অনুযায়ী দেশব্যাপী পিকেএসএফ’র সহযোগী সংস্থার সংখ্যা ২৭৬। সকল জেলায় বিস্তৃত এদের কার্যক্রম। আর এ নেটওয়ার্কই হচ্ছে আমাদের দারিদ্র দূরীকরণ কার্যক্রমের মূল শক্তি।
আর এ নেটওয়ার্কে সংগঠিত সদস্যের সংখ্যা সোয়া কোটি। প্রতি সদস্যের পরিবারে যদি গড়ে ৪ জন করে লোক থেকে থাকেন, তাহলে সে সংখ্যা দাড়ায় ৫ কোটি। সে সময়ে মাঠ পর্যায়ে ঋণ গ্রহীতার সংখ্যা ছিল ৯৫.৭৬ লাখ। এরমধ্যে ৯১% ছিলেন মহিলা।
চলতি ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ৩১৫০ কোটি টাকার বিপরীতে গত জুন পর্যন্ত ৬ মাসে সহযোগী সংস্থাসমূহের অনুকূলে পিকেএসএফ ১৫০৭ কোটি টাকা বিতরণ করেছে। উপরোক্ত সময়ে সহযোগী সংস্থাসমূহ সদস্য পর্যায়ে ১৬১১৯.৪৭ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করেছে।
মৃদুভাষী এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, আর্থিক কার্যক্রম ও উদ্যোগ উন্নয়ন চলছে বুনিয়াদ ঋণ কার্যক্রম, জাগরণ ঋণ কার্যক্রম, অগ্রসর ঋণ কার্যক্রম, সুফলন কর্মসূচির ব্যানারে।
সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারকল্পে কাজের বিনিময়ে অর্থ সহযোগিতা, সুপেয় জল ও স্যানিটেশন, টিকাদান ও চিকিৎসা শিবির, প্রাথমিক স্বাস্থ্য সহযোগিতা, সামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ ও সংস্কার, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিশুদের ঝরে পড়া রোধ করা, অতিদরিদ্র সদস্যদের সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি এবং প্রাণিসম্পদ বীমা উল্লেখযোগ্য।
সমৃদ্ধ বাড়ি এবং উপযুক্ত ঋণ কর্মসূচির উদ্ভাবক হচ্ছেন পিকেএসএফ’র চেয়ারম্যান ড. কাজী খলিকুজ্জমান। ক্ষুদ্র ঋণের নাম পাল্টিয়ে ‘উপযুক্ত ঋণ’ এবং এনরিচের বদলে ‘সমৃদ্ধ বাড়ি’ করেছেন। সমৃদ্ধি কর্মসূচিতে দারিদ্র দূরিকরণ ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে পিকেএসএফ ২০১০ সাল থেকে ‘দারিদ্র দূরিকরণের লক্ষ্যে দরিদ্র পরিবারসমূহের সম্পদ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি’ তথা ‘সমৃদ্ধি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই কর্মসূচির আওতায় ১১১টি সহযোগী সংস্থার ১৫০টি ইউনিয়নে ৯.৫১ লাখ খানায় জনসংখ্যা রয়েছে ৪২.৯২ লাখ। এসব ইউনিয়নে স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, শিক্ষা-সহায়তা, কম্যুনিটিভিত্তিক উন্নয়ন, যুব উন্নয়ন, ভিক্ষুক পুনর্বাসন, বন্ধুচূলা, সোলার, ঔষধি গাছ চাষাবাদ, সমৃদ্ধিকেন্দ্র, সমৃদ্ধ বাড়ি তৈরী, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, বিশেষ সঞ্চয় ও আর্থিক সহায়তাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে বলে জানান আব্দুল করিম। তিনি বলেন, মানবকেন্দ্রীক এ কর্মসূচির মূল দর্শনই হচ্ছে, ‘কাউকেই বাদ দিয়ে নয়, নির্ধারিত এলাকার সকলের অংশগ্রহণে টেকসইভাবে উন্নয়ন করা।’ তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, ‘উন্নয়ন একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া, সে কারণে স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদকে এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।’
‘মাতৃগর্ভ হতে মৃত্যু পর্যন্ত সকল পর্যায়ে সকলের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এ কর্মসূচি নির্দ্ধারণ করা হয়েছে। এর অন্যতম দিক হচ্ছে, আমাদের কি নেই তা নয়, বরং কি আছে তা নিয়ে কাজ করা’-বলেন আব্দুল করিম।
সমৃদ্ধি কর্মসূচিভূক্ত ইউনিয়নসমূহে ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে পিকেএসএফ থেকে সহযোগী সংস্থা পর্যায়ে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে এক হাজার কোটি টাকা। সহযোগী সংস্থা হতে মাঠ পর্যায়ে এযাবত ৪৪৫.৩৬ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন আব্দুল করিম।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলিকুজ্জমান আহমদ’র চিন্তাপ্রসূত এ সামগ্রিক উন্নয়ন মডেলটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে।’
উদ্যমী যুব সমাজকে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়ারও বিশেষ একটি কর্মসূচি রয়েছে পিকেএসএফ’র। এর নাম হচ্ছে ‘স্কীল্্স ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম’ তথা সিপ প্রকল্প। পশ্চাদপদ দরিদ্র জনগোষ্ঠির জীবন-মান উন্নয়নে ২০১৫ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার, এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক এবং সুইস এজেন্সী ফর ডেভেলপমেন্টের সম্মিলিত অর্থায়নে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে পিএকএসএফ। দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে চাহিদা তাড়িত জনবল তৈরী করা, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্য হতে কমপক্ষে ৭০% প্রশিক্ষণার্থীর দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থান মিশ্চিতকরণ এবং অন্তত: ছয়মাস সংশ্লিষ্ট কর্মক্ষেত্রে টিকিয়ে রাখা যাতে তারা টেকসইভাবে নিজ নিজ জীবনমান উন্নয়নে সক্ষম হয়। এ প্রকল্পের প্রথম ধাপে নির্বাচিত ২২টি প্রশিক্ষণ প্রদানকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারভুক্ত তরুণদের মধ্য হতে ১০ হাজার প্রশিক্ষণার্থীকে ৩ মাস ও ৬ মাস মেয়াদি ১৩টি ট্রেডে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। এতে অংশগ্রহণকারিদের যাবতীয় ব্যয় প্রকল্প হতে বহন করা হচ্ছে।
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তা অন্যতম পূর্বশর্ত। সে অনুযায়ী পিকেএসএফ ইউরোপিয় ইউনিয়নের অর্থ সহায়তায় বরিশাল, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের ১৭২৪ ইউনিয়নে পল্লী-কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন ৩৮টি সহযোগী সংস্থার ৭৬৬ শাখার মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ-উজ্জীবিত’ প্রকল্প বাস্তবায়িত করছে। ২০১৩ সালের নভেম্বরে শুরু পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে মোট বাজেট হচ্ছে ১১ মিলিয়ন ইউরো। বাংলাদেশে ক্ষুধা ও দারিদ্র হ্রাসের লক্ষ্য অর্জনের সহায়তা করাই হচ্ছে এ কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য। পিকেএসএফ’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরো জানান, গত বছরের ১০ মে একনেকের সভায় নিম্ন আয়ের লোকজনের গৃহায়নে সহায়তার প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। একই বছরের ৩০ জুন এ প্রকল্পের ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের সাথেও চুক্তি হয়েছে। ৫ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পে বরাদ্দ হচ্ছে ৫৭.৫ মিলিয়ন ডলার। নির্দিষ্ট পৌর এলাকায় নি¤œ ও নি¤œ-মধ্যম আয়ের পরিবারের জীবন-যাত্রার মান উন্নয়ন করাই হচ্ছে এ কর্মসূচির লক্ষ্য।
প্রবীনরা নানাভাবে উপেক্ষিত। অনেকের সন্তানেরাও খোঁজ-খবর নেন না। এমন অসহায় প্রবীনদের জন্যে পিএকএসএফ চালু করেছে সুদূর প্রসারি একটি প্রকল্প। দারিদ্র দূরিকরণে বহুমাত্রিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে পিকেএসএফ’র এ কর্মসূচি গত বছরের জানুয়ারি থেকে ১৯টি সহযোগী সংস্থার কর্মএলাকাভুক্ত ২০টি ইউনিয়নে চালু রয়েছে। জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা-২০১৩ এর অনুক্রমে গৃহিত এই কর্মসূচির আওতায় প্রবীনদের জন্যে সামাজিক কেন্দ্র স্থাপন, বয়স্ক ভাতা প্রদান, বিশেষ সঞ্চয়, পেনশন স্কীম প্রণয়ন, প্রবীনদের জন্যে সম্মাননা ও প্রবীনদের সেবা প্রদানকারি ‘শ্রেষ্ঠ সন্তান সম্মাননা’ প্রদান, অতিদরিদ্র প্রবীনদের জন্যে বিশেষ ঋণ সুবিধা ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ, প্রবীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্যারা ফিজিউথেরাপিস্ট তৈরীর জন্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই দেশের চিহ্নিত ২০টি ইউনিয়নে মোট ৩১ হাজার ৮০৭ জন প্রবীন নিয়ে এই কর্মসূচির আওতায় মোট ২৯৯টি গ্রাম কমিটি, ১৭৪টি ওয়ার্ড কমিটি, ও ২০টি ইউনিয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন আব্দুল করিম। ‘কমিটিভুক্ত সকল প্রবীনকে তাদের দায়-দায়িত্ব, নেতৃত্ব, যোগাযোগ ও মনিটরিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ৮৯১জনকে ছাতা, ওংয়াকিং-স্টিক, চেয়ার-কমোড, কম্বল এবং চাদর ইত্যাদি প্রদান করা হয়েছে। ঐ সময়ে মোট ১০টি সংস্থা ৬০ জন প্রবীনকে শ্রেষ্ঠ প্রবীন সম্মাননা এবং ৪৩জনকে শ্রেষ্ঠ সন্তান সম্মাননা প্রদান করা হয়।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, ‘পিএকএসএফ’র কার্যক্রম যথাযথভাবে এগিয়ে চলার নেপথ্য শক্তি হচ্ছে কর্মরতদের সততা, নিষ্ঠা এবং জবাবদিহিতা সক্রিয় থাকা। বাংলাদেশের ৬৪টি জেলাতেই রয়েছে এর নেটওয়ার্ক এবং প্রতিটি প্রকল্পের কার্যক্রমের ওপর রয়েছে নজরদারি। ফাঁকি-ঝুকি কিংবা অন্য কোনভাবে অপকর্ম করার কোনই সুযোগ নেই। এলাকার এনজিওসহ উন্নয়নে আগ্রহীরা পিএকএসএফ’র কাজকর্মের ব্যাপারে আগ্রহী থাকায় সবকিছু ঠিকমত এগুচ্ছে।’
আব্দুল করিম বলেন, ‘বাংলাদেশকে সমৃদ্ধি দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যে কর্মযজ্ঞ চলছে, পিকেএসএফ তারই একটি অংশ।

0 Comments

Leave a Comment

সব খবর (সব প্রকাশিত)